
শীতলা পূজা বিধি
শীতলা পূজা বাংলায় রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। চৈত্র মাসের কৃষ্ণ সপ্তমী বা অষ্টমীতে শীতলা দেবীর পূজা করা হয়। শীতলা গুটিবসন্ত, জলবসন্ত ও সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষাকর্ত্রী। আগের দিনের রান্না (বাসি ভাত) ভোগ হিসেবে দেওয়া এই পূজার বিশেষ নিয়ম।
চৈত্র কৃষ্ণ সপ্তমী/অষ্টমী (মার্চ–এপ্রিল)
সকাল — আগুন না জ্বালিয়ে
Puja Samagri (Items Required)
- শীতলা দেবীর মূর্তি বা ঘট
- বাসি ভাত (আগের দিনের রান্না)
- ঠান্ডা জল, দই
- নিমপাতা, হলুদ
- ফুল, সিঁদুর, চন্দন
- ঘৃত প্রদীপ (ঠান্ডা), ধূপ
Puja Procedure — Steps
আগের দিন প্রস্তুতি
পূজার আগের দিন বিশেষ খাবার রান্না করুন — ভাত, ডাল, তরকারি। পরদিন এটাই বাসি ভাতের ভোগ হবে। পূজার দিন উনুন জ্বালানো নিষেধ।
ঘট স্থাপন ও পূজন
শীতলা ঘটে ঠান্ডা জল, নিমপাতা ও ফুল দিন। সিঁদুর ও চন্দন অর্পণ করুন। "ওঁ শীতলায়ৈ নমঃ" মন্ত্র জপ করুন।
বাসি ভাতের ভোগ
আগের দিনের রান্না — বাসি ভাত, দই, ডাল — ঠান্ডা অবস্থায় দেবীকে নিবেদন করুন। কোনো গরম খাবার দেওয়া যাবে না।
প্রসাদ ও পালন
পরিবারের সকলে বাসি ভাতের প্রসাদ খান। সারাদিন ঠান্ডা জল পান করুন। নিমপাতায় স্নান রোগ প্রতিরোধক।
Main Mantra
ওঁ শীতলায়ৈ নমঃ । বন্দে শীতলদেবীং তাং রোগদারিদ্র্যনাশিনীম্ । সর্বরোগহরাং দেবীং প্রণমামি মুহুর্মুহুঃ ॥
Benefits of this Puja
শীতলা পূজায় গুটিবসন্ত, জলবসন্ত, জ্বর ও সংক্রামক রোগ থেকে পরিবারের রক্ষা হয়। শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকে।
Important Notes
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
শীতলা পূজা বিধি কখন করা হয় এবং শুভ মুহূর্ত কী?
চৈত্র কৃষ্ণ সপ্তমী/অষ্টমী (মার্চ–এপ্রিল) — সকাল — আগুন না জ্বালিয়ে
শীতলা পূজা বিধি-এর জন্য কী কী পূজা সামগ্রী লাগে?
শীতলা দেবীর মূর্তি বা ঘট, বাসি ভাত (আগের দিনের রান্না), ঠান্ডা জল, দই, নিমপাতা, হলুদ, ফুল, সিঁদুর, চন্দন, ঘৃত প্রদীপ (ঠান্ডা), ধূপ
শীতলা পূজা বিধি-এ কোন মন্ত্র জপ করা হয়?
ওঁ শীতলায়ৈ নমঃ । বন্দে শীতলদেবীং তাং রোগদারিদ্র্যনাশিনীম্ । সর্বরোগহরাং দেবীং প্রণমামি মুহুর্মুহুঃ ॥
শীতলা পূজা বিধি করলে কী কী ফল পাওয়া যায়?
শীতলা পূজায় গুটিবসন্ত, জলবসন্ত, জ্বর ও সংক্রামক রোগ থেকে পরিবারের রক্ষা হয়। শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকে।